নাসরীন জাহান
উড়ছিলাম।
খাঁ-খাঁ দুপুরে এক বিশাল আসমান জুড়ে।
একাকী।
ডানার রোমগুলো রিমঝিম রোদ্দুরে
ঝলসে উজ্জ্বল করে তুলছিল আমার অবয়ব।
বন্ধুরা কি দুপুরঘুম দিচ্ছে?
অদ্ভুত এক বিষণ্ণতা আচমকা গ্রাস করে আমাকে।
মহা অতলে একাকী এক রাজপুত্র দিঘিতে সাঁতার কাটছিল।
ছেলেটির রূপের ছটায় রৌদ্রও তার প্রেমে পড়ে
নিজ আলোর মধ্য ছড়িয়ে দিচ্ছিল সাতনরি নহর।
ছেলেটি ওপর দিকে তাকিয়ে মুগ্ধচোখে আমাকে দেখে ডাকলো, আয় আয়।
তার ঘোরে পড়ে কিছুটা দূরত্ব রেখে,
ধীরলয়ে নেমে তার মাথার কাছে চক্কর খেতে থাকলাম।
অপরূপ ছেলেটি কিনারে উঠে হাতে কী যেন তুলে নিল।
চারপাশের মহাপৃথিবীটা টলে উঠল।
তীরের আঘাতে তার পায়ের কাছে,
ছটফট করতে করতে আমি নিথর হয়ে গেলাম

