ফেরদৌস নাহার
পতনের শব্দে কাঁপে বেনামা পাহাড় এইমাত্র নেমে আসা একঝাঁক নতুন সারস টাইগ্রিস ইউফ্রেতিসের পারে এসে ভিড় জমাল সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম গভীর কাজল পরে সে-ই হলো কাল, সাথে সাথে বন্দি হলাম মেসোপটেমিয়ান জেলখানায় আটকে ছিলাম
আমাকে ওরা দেশান্তরি অবৈধ করে ছিল হয়তো হাজার বছর কেউই পায়নি খোঁজ একদিন কী যেন কী ভেবে, কোনো এক ভোরে ওরা আমাকে ছেড়েও দিলো, ইস্তাম্বুলের পথে বলল, দৌড় লাগাও! দূর হও এখান থেকে!
আমি জানি না, কী ছিল অপরাধ ততদিনে জেনে গেছি সম্পূর্ণ পৃথিবী আমার নয় দৌড়াতে পারি না, বারবার হোঁচট খাই মা বলে কেঁদে উঠি আতাতুর্কের মূর্তির নিচে
হাঁপাতে হাঁপাতে আবারো ঊর্ধ্বশ্বাস। যা ভাগ!
এভাবেই কতকাল দৌড়েই চলছি জানি না সবশেষে থেমে যাব রুশদেশে গিয়ে। যেখানে ফিওদর দস্তয়েভস্কি জেলখানার সাত নম্বর কয়েদি

