বাড়ির উত্তর কোণাটায় এক টুকরো রোদ ঢোকে
প্রতিদিন, ঠিক দুপুরের সময়
কিন্তু সেখানে কেউ বসে না।
চেয়ারটা পড়ে থাকে খালি, ধুলো জমে, স্মৃতির মতো।
অথচ সেই ধুলোর নিচে, একটা চিঠি পড়ে থাকে
যা কেউ কোনোদিন পাঠায়নি, তবু উত্তর চায়।
ঘরটা জানে –
প্রতিটি দেয়ালের গায়ে কিছু উচ্চারিত না-হওয়া শব্দ থাকে,
যার ভাষা কেবল চোখের পাতা বোঝে।
শব্দগুলো রাতের বেলা নড়াচড়া করে,
কখনো আয়নার সামনে দাঁড়ায়,
আর প্রশ্ন করে –
আমাকে কি সত্যিই কেউ চিনত?
একদিন কারো অজান্তেই,
একটুকরো নীল মেঘ জানালায় হাত রাখে।
আর তার ছায়া পড়ে ফ্রিজের ওপরে রাখা
এক পুরনো কাচের গ্লাসে
যা ভেঙে ফেলার কথা ছিল অনেক আগেই।
তুমি হয়তো বলবে, সবই কল্পনা।
তবু একটা নীরবতা প্রতিদিন তোমার দিকে চেয়ে থাকে।
ঠিক যেন সে কিছু জানে, কিন্তু বলবে না।
এভাবেই অনেক আলো আসে,
অনাহূত হয়ে, অন্ধকারের ঠিক পাশ দিয়ে।

