আমি বন্দি সেন্টাওরের অতল পাতালে মুক্ত হতে চাই
উদ্ধার হই যদি আরিয়েদনের মতো তোমার দেখা পাই
আমার সাধন-ভজন সবই তাই বেহুলা তোমায় ঘিরে
জানি কোনো শিউলীভোরে পাব তোমায় গাঙুর নদীর তীরে
তাই জলের কিনারে বসত আমার ঘোর তুমি নদীপথে
ভাসাও স্রোতে মান্দাসের ভেলা গ্রীষ্ম বর্ষা আর শীতে
অকর্মা আমি বাঁধা থাকি শত গেরস্তকাজের ঘোরে
এ দুরূহ যাত্রায় নাও আমারে তোমার একান্ত সুকানি করে;
কে বলেছে অভিশপ্ত এই মানবজীবনে মুক্তি কারো নেই
জানি আছে নতুন জীবন যদি বেহুলার দেখা পাই
জায়গা বদলাও মানুষ পাল্টাও এ তো তোমারই শিক্ষা
তবে যাকে তাকে তুমি দাও না এই অমূল্য জীবনবীক্ষা
তারেই করো সাথি যে তোমার দুঃখী বাংলাকে ভালোবাসে
জানি গাঙুরপারে আসবে সুখ যদি বেহুলা ফিরে আসে॥

