(আবুল হাসনাত স্মরণে)
এইমাত্র যে-তারাটি আমি দেখতে পাচ্ছি
আকাশে, চোদ্দো হাজার বিলিয়ন আলোকবর্ষের দূরে বসে
ঢাকা কিংবা কলকাতা শহরের মাথার ওপর
সে নিভে গেলেও তাঁর উজ্জ্বলতা ফালা করে দিচ্ছে অন্ধকার।
শব্দের পাখায় ভর করে উড়ে বেড়িয়েছে শীতল অঙ্গার
কবিতার নরম স্পন্দন থেকে
কুয়াশা সরানো তীব্র গদ্যের চাবুক
হৃদপিণ্ড অস্থির করে দিয়েছে দর্পণে।
শান্ত অবয়ব
স্থির দৃষ্টি
ধুলো ঝেড়ে তুলে এনেছে জহর।
কাঁটাতার তুচ্ছ করা ছুটন্ত বাতাসে মেশে সতেজ কুর্নিশ।
উত্তাল সময় জানে
প্রকৃত কালপুরুষ
মাটি থেকে উঠেছে আকাশে।
ফুসফুসে জমানো বাষ্প
ছায়া হয়ে ঝুলে আছে আমার দু-চোখে
সে-সুদূরে আমি পৌঁছে দিই শ্বাসবাহিত শ্রদ্ধার্ঘ্য।

