রাস্তায় হাঁটছি
দুপুর রোদের আঁচে নিভে যাচ্ছে হাসি
হয়তো তখনই শীতল ঝর্ণা হয়ে
মাথার ভেতরে সে বাজিয়ে দিলো বাঁশি!
হয়তো নদীর তীরে বসে আছি একা
বর্জ্যরাশি ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে ঢেউ
কফিন-কাঁধে এগিয়ে আসছে মানুষ;
সহসা নূপুর সুরে দৌড়ে এলো কেউ!
পুকুরে নেমেছি
জলের বদলে ভিজিয়ে দিচ্ছে সানাই
বুকের ভেতরে – মাছ নয়, মৎসগন্ধ্যা;
সত্যবতী রূপে এসে দিয়ে যায় ঘাই।
নিস্তব্ধ রাতের শৌচাগারে
কাক্সিক্ষত ত্যাগের জন্য করি প্রণিপাত;
তখনই নেমে আসে অপ্সরা স্বর্গের
করোটি-রণনে জাগে অমৃতের স্বাদ।
এইভাবে –
‘ধেনো হাটে ওল নামানো’র মতো
নিয়ত জ্বালিয়ে যায় যে-মেয়েটি
তার নাম – কবিতা;
জীবনের অপরূপ ক্ষত!

